Wednesday, July 27, 2016

plz stay safe ...পোস্টটি সম্পূর্ণটি পড়ুন এবং শেয়ার করে আপনার বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে দিন। ...বন্ধুরা আশা করি আপনারা প্রত্যেকেই এই রকম কিছু ফোন নাম্বার থেকে মিস্ কল আসার শিকার হয়েছেন। +375602605281, +37127913091+37 178565072 +56322553736 +37052529259+25 5901130460 ...অথবা, এমন কিছু নম্বর যার শুরুতে এই code গুলি ছিল। +375 +371 +381 ...এই টাইপের নম্বর থেকে একটা মিসড্ কল হলে অথবা কিছুক্ষন রিং বেজে বন্ধ হয়ে গেলে, আপনি যদি এই সকল নম্বরের মধ্যে কোনো একটায় কল ব্যাক করেন তবে আপনার ব্যালেন্স থেকে 15-30$ কেটে নেওয়া হবে, আর তিন সেকেন্ডের মধ্যে আপনার কনট্যাক্ট লিস্ট এর সম্পূর্ণ কপি তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। ...আপনার ফোনে যদি আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেলস্ অথবা ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের তথ্য সেভ করা থাকে তবে সেগুলোও তারা কপি করতে সক্ষম হবে।...জেনে নিন এই সকল ফোন কোন কোন জায়গা থেকে করা হয় ও কোন জঙ্গিগোষ্ঠি করে থাকে... +375 is from Belarus +93 is From Afghanistan +371 is code for Lativa +381 is from Serbia +563 is code of Valparaiso +370 is code of Vilnius +255 is code of Tanzania ...এই সকল ফোন ISIS জঙ্গিরা করে থাকে। সবাই সাবধান হোন। ভুল করেও ফোন রিসিভ করবেন না ও কল ব্যাক করবেন না। আপনার ফোন থেকে কখনও #90 ও#09 প্রেস করবেন না। কোনো নম্বর থেকে ফোন করে আপনাকে প্রলোভন মূলক কোনো কথা বলে যদি #90 ও #09 চাপতে বলা হয়, দয়া করে তা কখনওই করবেন না। এতে আপনার ফোনের সিম কার্ড ক্লোনিং করে, আপনার নম্বরের আর একটি সিম কার্ড বানিয়ে নেবে তারা। তারপর আপনার নম্বর ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিবিভিন্ন অসামাজিক কাজ করবে, যার বিন্দুমাত্রও আপনি টের পাবেন না। ফোন ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন, সর্বদা সতর্ক থাকুন। প্রচুর শেয়ার করে আপনার বন্ধু ও পরিবারকে রক্ষা করুন।


ফেসবুক টিপস যে সকল কারনে আপনি ফেসবুকে হতে পারেন ব্লক! 1. ফেসবুক স্ট্যাটাসে বা ম্যাসেজে আক্রমাত্মক এমন কিছু লিখবেন না যেটা পড়ে মনে হয় আপনি কাউকে হুমকি দিচ্ছেন এমনটা যদি করেন তাহলে সেই বাক্তি যদি আপনার অ্যাকাউন্টে রিপোর্ট করে তাহলে আপনি কিন্তু ব্লক হতেই পারেন, ভারতীয় ফেসবুক এই অভিযোগটিকে খুবই গুরুত্ব সহ বিচার করে. তাই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট টি থেকে কাউকে হুমকি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন. ২. আমারা যারা নতুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট করি তারা ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্ট বন্ধু বাড়ানোর জন্য এক দিনে একাধিক জনকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে দিই যা মোটেও ঠিক নয়. এই ভাবে সীমা অতিক্রম করলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়া থেকে কেউ বাঁচাতে পারবে না. 3. একই দিনে যদি ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে একই ম্যাসেজ লিখে একাধিক বার ম্যাসেজ করা হয় তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে যেটে পারে. এ ক্ষেত্রে আপনি সেই সব ম্যাসেজ করার সময় কিছুটা পরিবর্তন করে করে ম্যাসেজ করুন. 4. আপনি যদি আপনার নিজের ফেসবুক ওয়ালেও একই পোস্ট একাধিক বার দেন তাহলে সেটাকে ফেসবুক স্প্যাম ভেবে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিতে পারে তাই এটা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন. 5. আপনি যদি প্রতিদিন একাধিক ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক করেন তাহলে আপনাকে প্রথমে সতর্কবার্তা দেবে. আপনি যদি তাও একি ভাবে কাজটি চালিয়ে যান তাহলে অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিতে পারে. 6. পর্নোগ্রাফি মানে অশ্লীল ফটো কিংবা ফটো পোস্ট বা আপলোড করতে আপনি ভালবাসলেও ফেসবুক কিন্তু এটা একেবারেই পছন্দ করে না তাই এই অশ্লীল ফটো ভিডিও পোস্ট থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন. 7. আপনি যদি আপনার নাম বাদে ফেক নাম মানে কোন কোন বড় সেলিব্রেটির নাম দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলেন এবং সেই অ্যাকাউন্ট এ অভিযোগ হলে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্লক হতে পারে. 8. আপনি আপনার বাড়ির প্রিয় পোষা বিড়াল বা কুকুর টিকে খুব ভালবাসেন তাই তার নাম দিয়ে একটা অ্যাকাউন্ট করে দিলেন তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিবে ফেসবুক. 9. আপনি যদি ভাবে আপনার অ্যাকাউন্ট টিকে আপনার প্রতিষ্ঠান এর বিজ্ঞাপন এর জন্য ব্যবহার করবেন তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন এই ভাবে কোন অ্যাকাউন্ট চালালে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্লক হতে বাধ্য. 10. এছাড়াও প্রচুর পরিমানে বিরক্তি কর ফটো ট্যাগ, ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে এবং সেটা ফেসবুক শনাক্ত করতে পারলেই সেই অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেয়.


>কিছু প্রয়োজনীয় ট্রিপস এবং সহজ মাধ্যম<><><><> ১. উইন্ডোজের কোন ফাইল বা ফোলডার ভুলে ডিলিট করে ফেলেছেন সাথে সাথে Ctrl+z চাপ দিন চলে অসবে। ২. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার অথবা মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীদের ওয়েব এড্রেস পুরোটা লিখতে হয়না। যেমনঃ- এড্রেস বারে yahoo লিখে Ctrl+Enter দিন সয়ংক্রিয়ভাবে প্রথমে www. এবং শেষে .com বসে যাবে। ৩. কোন একটা প্রোগ্রাম ক্রেক বা সিরিয়াল সহ ডাউনলোড করতে চাইলে গুগল এ গিয়ে লিখুন “প্রোগ্রামটার নাম warez“। যেমনঃ- winzip warez লিখে সার্চ দিন। এই কাজের জন্য আমি কোন দায়িত্ব নেবনা। নিজ দায়িত্বে করবেন। 4. উইন্ডোজ এক্সপিতে একসাথে একাধিক ফাইল রিনেম করা যায়। Ctrl+a দিয়ে সবগুলো ফাইল সিলেক্ট করুন। যেকোন একটা ফাইলের উপর রাইট মাউস ক্লিক করে রিনেম করুন অন্য ফাইলগুলোও সিরিয়ালী রিনেম হয়ে যাবে। ৫. উইন্ডোজে একসাথে একাধিক ধরনের ফাইল সার্চ করা যায়। যেমনঃ- *.mpg, *.avi, *.mp3 লিখে সার্চ দিন


ল্যাপটপের চার্জ দীর্ঘক্ষণ রাখার কৌশল: --------------------------------------- জেনে নিন কীভাবে আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারি চার্জ দীর্ঘস্থায়ী করতে পারেন। কিছু টিপস মনে রাখলেই আপনি দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখতে পারবেন। ১. ল্যাপটপের স্ক্রিন কিন্তু অনেক বেশি চার্জ খরচ করে। তাই যতোটা সম্ভব ব্রাইটনেস কমিয়ে ব্যবহার করুন। কিবোর্ডে ব্যাকলাইট থাকলে সেটিও সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিন। ২. ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টের সঙ্গে কোনো ডিভাইস লাগানো থাকলে প্রচুর চার্জ খরচ হয়। তাই প্রয়োজন শেষ হলেই এক্সটারনাল ডিভাইসটি খুলে ফেলুন। ৩. ল্যাপটপ বেশি গরম হলে ভেতরের ফ্যানগুলোর ঘুর্ণন বেড়ে যায়, এতে ব্যাটারি খরচ হয় বেশি। সে কারণে কখনোই নরম গদি বা বালিশে রেখে ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না তাতে গরম বাতাস আটকে আরো গরম হবে। ল্যাপটপ কুলারও কিনে নিতে পারেন। ৪. কখনো স্ট্যান্ডবাই মুডে না রেখে হাইবারনেশনে রাখুন। এতে ব্যাটারির চার্জ সংরক্ষিত থাকবে। আর ল্যাপটপ বন্ধ হলেও শেষ যেভাবে কাজগুলো সংরক্ষণ করছিলেন ল্যাপটপ চালু করলে ঠিক সে অবস্থাতেই পাবেন। ৫. ল্যাপটপে উইন্ডোজের সঙ্গে বিল্টইন পাওয়ার প্ল্যান সেটিংসও আছে। বিভিন্ন অপশন যেমন: ডিসপ্লে ব্রাইটনেস বাড়ানো বা কমানো, কখন ডিসপ্লে ডিম বা অনুজ্জ্বল করতে এবং বন্ধ করতে চান, হার্ড-ড্রাইভ ও ইউএসবি পাওয়ার বন্ধ করতে চান সেগুলো সেটিং আছে। আর ব্যাটারির চার্জের হালনাগাদ তথ্য পেতে চাইলে ‘ব্যাটারি কেস’ (battery case) নামে একটি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন। এতে ব্যাটারির সম্পূর্ণ স্ট্যাটাস দেখায়। এছাড়া কতোটুকু ব্রাইটনেসে ব্যাটারি কতোক্ষণ চলবে, ব্যাটারির বর্তমান অবস্থা, সিপিইউ ও হার্ড-ড্রাইভ অতিরিক্ত গরম হয়েছে কি না তা প্রদর্শন করে কেস অ্যাপ্লিকেশন।


কীবোর্ডের F1 থেকে F12 পর্যন্ত কী গুলোর কাজের বিবরণ জেনে নিন। আজকের পোষ্টটি খুবই সিম্পল কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য অনেকেই হয়তো জানেন। জেনে থাকলে পুরোনো জিনিস শেয়ার করার জন্য ক্ষমা করবেন। তাহলে শুরু করা যাক। আমরা জানি, F1 থেকে F12 পর্যন্ত যে এক ডজন কি আছে সেগুলোকে ফাংশন কি বলা হয় । এখন আসুন জেনে নেয় এই কী গুলোর কাজ কি। F1 : সহায়তাকারী কি হিসেবে ব্যবহূত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসে। F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়। Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়। F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়। F4 : ওয়ার্ডের last action performed আবার (Repeat) করা যায় এ কি চেপে। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl +F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়। F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে। পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়। F6 : এটা দিয়ে মাউস কারসারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift +F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়। F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে। ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয়। F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কি। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়। F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কি দিয়ে। F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কি চেপে। Shift +F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়। F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় । F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কি চেপে। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift +F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়। আশা করি এই তথ্য গুলো আপনাদের অনেক কাজে আসবে।


ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ • আমরা যারা ফেসবুক বা ইউটিউবের ভিডিও দেখি চাইলেই ডাউনলোড করতে পারিনা , এজন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করতে হয় । আজ আপনাদের দেখাবো সবচেয়ে সহজ উপায়ে কি ভাবে ভিডিও ডাউনলোড করা যায় । ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার প্রথমে www. downvids.netএই সাইটে যান । তারপর এখানেআপনার ফেইসবুক ভিডিও লিংক দিয়ে ডাউনলোড ক্লিক করুন । এবার Download This Video ক্লিক করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ফেসবুকের ভিডিও টি ডাউনলোড করে নিন । এবার দেখাবো ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ উপায় । ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য প্রথমে http:// en.savefrom.net ­ এই সাইটে যান । তারপর এখানেইউটিউব ভিডিও লিংক দিয়ে ডাউনলোড ক্লিক করুন । এবার আপনি কোন FLV. MP4, 3Gp, WEBM ফরম্যাটে ডাউনলোড করতে চান তা ডান পাশ থেকে পছন্দ করে ক্লিক করুন, দেখবেন ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে । এই লিংক থেকে youtube ছাড়াও একই পদ্ধতিতে rapidshare , vimeo, filefactory থেকে ফাইল নামাতে পারবেন । Free Online YouTube Downloader: Download YouTube Videos, Facebook and many others! Free Online service to Download YouTube videos at one click! The best YouTube Downloader supporting… en.savefrom.net


বাংলাদেশের সকল অ্যান্ড্রয়েডে নিন স্ক্রিন- শট , তাও আবার কোনসফটওয়্যার ছাড়াই [রুট +আন রুট সবার জন্য] মাঝে মাঝে অনেক সময় আমাদের ডিভাইস এর Screenshot নিতে হয়। Screenshot নেয়ার সিস্টেম টা ডিভাইস ভেদে হয়ে থাকে। যেমন নেক্সাস এ এক রকম আবার গ্যালাক্সি এস৪ এ অন্যরকম। আবার দেখা যায় Walton & Symphony এর অনেক ডিভাইস এ নেয়ার সিস্টেমই নাই। তাই আজ এই পোস্ট টি আপনার জন্যে যারা কিনা জানেন না কিভাবে আপনার ডিভাইস এর Screenshot নিতে হয়। আবার ধরুন আপনি আপনার ফ্রেন্ড এর একটি ডিভাইস হাতে নিলেন যেটা কিনা আপনার ডিভাইস এর মতো Screenshot নেয়া যায় না আর আপনি সেটায় Screenshot নিবেন কিন্তু পারছেন না। কি রকম একটা লজ্জা পেতে হবে ভাবেন! তাহলে আপনার জন্যেও এই পোস্ট। সকল ডিভাইস এর Screenshot নেয়া শিখে ফেলুন আজই। Stock Android, Google Nexus or Custom ROMs: উপরে টাইটেল এর মতো যদি আপনার ডিভাইস টি হয়ে থাকে তাহলে আপনি নরমালভাবেই নিতে পারবেন Screenshot। যা কিনা ভলিউম ডাউন বাটন ও পাওয়ার বাটন একসাথে প্রেস করলেই নিয়ে নিতে পারবেন Screenshot। এ ক্ষেত্রে প্রথমে ভলিউম ডাউন বাটন ও সাথে সাথে পাওয়ার ডাউন প্রেস করতে হবে অথবা একসাথে। তাহলে ট্রাই করুন যদি আগে না জেনে থাকেন। Samsung Smartphones and Tablets: নতুন কিছু Samsung ডিভাইস এ আপনি স্ক্রিন এর উপর দিয়ে হাত বুলালেই নিয়ে নিতে পারবেন Screenshot। তবে সেটার জন্যে Settings > Motion first অপশন টি একটিভ করা থাকতে হবে। এছাড়াও অন্য Samsung ডিভাইস এ আপনি হোম বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করে নিতে পারবেন Screenshot । তাহলে ট্রাই করুন। HTC Devices: HTC এর মেথড অনেকটা স্টক এন্ড্রয়েড এর মতোই। এছাড়াও ছবিতে যেমন দেখানো হয়েছে হোম বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করলেই নিতে পারবেন Screenshot । আপনি হোম ও পাওয়ার বাটন প্রেস করলেই স্ক্রিন এ একটা ম্যাসেজ আসবে যে আপনার Screenshot নেয়া হয়েছে। Sony Device: Sony এর মোবাইল ও ট্যাবলেট এর মেথড একটু আলাদা। মোবাইল এর জন্যে ভলিউম ডাউন বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করে ধরে রাখুন এবং Screenshot নেয়া সম্পন্ন হউয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। Screenshot নেয়া হয়ে গেলে কনফারমেশন পাবেন। এছাড়াও অনেক সনি এর ডিভাইস এ পাওয়ার মেনু দিয়েও Screenshot নিতে পারবেন। এ জন্য পাওয়ার বাটন প্রেস করে ধরে রাখুন। একটি মেনু অপ্সহন আসবে যেখানে লিখা থাকবে take a screenshot। এবং এই অপশন এর মাধ্যমে নিয়ে নিতে পারবেন Screenshot। LG devices: LG ডিভাইস অনেকটা সনি এর মতোই। আপনি ভলিউম ডাউন বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করে রাখুন এবং Screenshot নেয়া হয়েছে এই কনফারমেশন এর জন্যে অপেক্ষা করুন। এছাড়াও এলজি তে কুইক মেমো এর সাহাজ্যেও নিতে পারবেন। তবে সেটির সেটিং অন থাকতে হবে। Walton,Symphony,Others: Walton,Symphony ও অন্যান্য চায়না ডিভাইস গুলতে আপনি নরমালি ভলিউম ডাউন বাটন ও পাওয়ার বাটন প্রেস করেই নিতে পারবেন। তবে সব ডিভাইস এ এই মেথড টা কাজ করবে না। এমনকি অনেক ডিভাইস আছে জেগুলাতে Screenshot নেয়ারই কোন অপশন নাই। তো আর কি!!! হয়ে গেলো Screenshot এর সমাধান!!


আমরা সবাই এখন এন্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করি। কারন বর্তমানে এন্ড্রয়েড বেশ জনপ্রিয়। আর এমনি একটা এন্ড্রয়েড মোবাইল আছে কিন্তু ইন্টারনেট চালায় না এমন মানুষ কম আছে। কিন্তু যদি মেগাবাইট না থাকে তা হলে তো নেট চালান সম্ভব নয়। হ্যা একটা উপায় আছে অন্যের বা বন্ধুর মেগাবাইট চুরি করে আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে নেট চালানো যায় তা হলে কেমন হয়। নিশ্চয়ই ভাল হয় এবং এটা খুব মজার কাজ। হ্যা যদিও আপনার মোবাইলে মেগাবাইট না থাকে অন্যের মোবাইল থেকে মেগাবাইট দিয়ে আপনি ইন্টারনেট চালাতে পারবেন। এ জন্য আপনার দুটি এন্ড্রুয়েড মোবাইল লাগবে। একটি আপনার আর অন্যটি আপনার বন্ধু বা যে মোবাইল থেকে মেগাবাইট চুরি করবেন। এবার যে মোবাইলে মেগাবাইট আছে সেটর সেটিং সেট আপ করুন এভাবে- ১. Settings -এ যান ২. More Settings অথবা Wireless & Network যান ৩. অতঃপর Tethering and portable hotspot এ যান এবং portable wi-fi hotspot টা অন করুন। ৪. এবার সবার নিচে Configuration লিখা আছে ওটাতে ক্লিক করুন। আর সেখানে বসান এভাবে - network SSID তে আপনার পছন্দ মত নাম দিন আর Security তে WPA2 PSK আর password এ যে কোন আটটি সংখ্যায় দিয়ে সেভ দিয়ে বেরিয়ে আসুন। সব কিছু ঠিক থাকলে Notification -এ আসবে tethering or hotspot active অবশ্যই মোবাইলে ডাটা কানেকশন অন করেন। আপনার মেগাবাইট কৃত মোবাইলের কাজ শেষ। ...... এখন যে মোবাইলে ইন্টারনেট চালাবেন সেটাতে wi-fi open করুন। দেখবেন আপনি আগের মোবাইলে যে network SSID ইয়েছিলেন সেটা শো করছে। এখন ওটাতে ক্লিক করলে password চাবে। আগের বানানো password টা দিলে অটোমেটিক কানেকশন পাবে। ব্যাস! কাজ শেষ। এখন আপনার মোবাইল দিয়ে নেট চালান একদম ফ্রীতে অন্যের মোবাইলের এমবি দিয়ে।


দেখে নিন Gp সিমের সকল Service কোড গুলো। আর নিজেই হয়ে যান কাস্টমার ম্যানেজার.... √√√ Balance Check : *566# √√√ Show SIM Number : *2# √√√ Package Check : *111*7*2# √√√ Minute Check : *566*24# *566*20# √√√ SMS Check : *566*2# √√√ MMS Check : *566*14# √√√ Min check : *566*24# √√√ Bonas Min : *566*20# √√√ Sob kisu ase : *666# √√√ SuF FnF SeT : SuF No Send 2888 √√√ SuF Charge : old no -New no Send 2888 √√√ FnF No SeT : *111*2*1*2* No# √√√ FnF No kon gula : *111*2*1*1# 100 SMS : *111*10*6# 1 Din= 40 Min : *111*29# 2Din=5+Min,Sms,MB :*111*10*1# 2Din=17+Min,SmS : *111*10*8# 7Din= 100Min : *111*100# Taka Bonas : *566*8# Taka Dhar: *1010*1# Dhar Take check : *566*28# Sim peckej: *111*44# MB packaj: *111*6*1# Sim Pekaj jante: P send 4444 Sim value : *111# √√√ Data (MB) Check : *566*10# , *567# √√√ Call Me Back : *123*Number# √√√ Net Setting Request : *111*6*2# √√√ Miss Call Alert (On) : type START MCA & Send to 6222 √√√ Miss Call Alert (Off) : Type STOP MCA & Send to 6222