Monday, June 20, 2016
শুরুতেই সবাইকে ছালাম, আসসালামুআলাইকুম। মোবাইলের বিভিন্ন তথ্য ও টিপস নিয়ে আলোচনা করা হল। আবার যদি আপনার নিজের নাম্বার ভুলে যান কিংবা যে নাম্বার দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন সে সিমের নাম্বার জানেননা বা ভুলে গেছেন, মোবাইল এ ব্যালেন্স নেই, কাউকে ফোন করে জিজ্ঞাস করার উপায় নেই। অনেক দিন ধরে নাম্বার বন্ধ থাকতে পারে, কার্ডও রিচার্চ করার ব্যবস্থা নেই, যদি এমন পরিস্থিতিতে আপনার নাম্বার জানা খুব জরুরি হয় তবে নিচের নাম্বার টি ডায়াল করুন আর নির্দেশনাগুলো জেনে নিন। এর মাধ্যমে আপনি নিজের ব্যবহারকৃত মোবাইলটির কিছু তথ্য ছাড়াও অন্যান্য অপারেটর সম্পর্কে জানতে পারবেন। কার্যকর। বিভিন্ন সময় হঠাৎ করে আমাদের মোবাইল ফোনের কথা পরিস্কার শোনা যায় না, তবে সব সঠিক থাকলেও এই ঘটনা ঘটে। ফোনের কথা পরিস্কার শোনার জন্য এই কোডটি *3370# চাপুন।এর ফলে মোবাইল ফোনের ব্যাটারী কার্যক্ষ্মতা বাড়তে পারে তবে ব্যবহারের পর #3370# চেপে এটাকে অফ করে রাখুন।নাহলে ব্যাটারীর ক্ষতি হতে পারে। নতুন মোবাইল কেনার পর ডায়াল করুন *# ০৬# ১৫ সংখা বের হবে সেটি সংরক্ষন করুন। আবার ফোনের মধ্যে ট্রাকিং চালু করে রাখুন। এটি চালু করার সময় যে কোনো কাছের ব্যক্তির নাম্বার দিন। এতে করে চোর যদি ফোনটি চুরি করে তাহলে সে যে নাম্বারেই ব্যবহার করুক না কেন? আপনার নিকট ব্যক্তির নাম্বার চলে যাবে। এতে চোরকে ধরা অতি সহজ হবে। আর ১৫ সংখার নাম্বারটি ফোনের মালিক নির্ধারন করবে। ♦ গ্রামীনফোন গ্রাহকের জন্য নিজের নাম্বার জানতে *2# ব্যালেন্স জানতে *566# ইন্টারনেট মেগাবাইট জানতে *566*10# রিচার্জ করতে *555* গোপন নাম্বার # বিভিন্ন তথ্য জানতে *111# ইন্টারনেট প্যাকেজ জানতে *111*6# কাস্টমার কেয়ার : 121 এ ফোন দিয়ে 1 চাপুন করে 0 অন্য অপারেটর থেকে গ্রামীন ফোন কাস্টমার ম্যানাজার -01711594594 ♦ বাংলালিংক গ্রাহকের জন্য নিজের নাম্বার জানতে *511#,*666# ব্যালেন্স জানতে *124# ইন্টারনেট মেগাবাইট জানতে *124*50# কার্ড রিচার্জ করতে *123* গোপন নাম্বার # কাস্টমার কেয়ার : 121 অথবা 212 যে কোনো অপারেটর থেকে বাংলালিংক কাস্টমার ম্যানাজার- 01911304121 ♦ এয়ারটেল গ্রাহকের জন্য নিজের নাম্বার জানতে *121*6*3# ব্যালেন্স জানতে *778# রিচার্জ করতে *787* গোপন নাম্বার # কাস্টমার কেয়ার : 786 অন্য অপারেটর থেকে এয়ারটেল কাস্টমার ম্যানাজার 01678600786 ♦ রবি গ্রাহকের জন্য নিজের নাম্বার জানতে *140*2*4# ব্যালেন্স জানতে *222# কার্ড রিচার্জ করতে *111* গোপন নাম্বার # কাস্টমার কেয়ার ম্যানাজার : 123 এ ডায়াল করে 1 চাপুন 0 যেকোনো অপারেটর থেকে রবি কাস্টমার ম্যানাজার 01819400400 ♦ টেলিটক গ্রাহকের জন্য নিজের নাম্বার জানতে মেসেজ অপশনে লিখুন TAR পাঠিয়ে দিন 222 নাম্বারে ব্যালেন্স জানতে *152# কার্ড রিচার্জ করতে *151* গোপন নাম্বার # কাস্টমার ম্যানাজার : 121 যেকোনো অপারেটর থেকে টেলিটক কাস্টমার ম্যানাজার 01550157750 থেকে 60 ♦সিটিসেল গ্রাহকের জন্য নিজের মোবাইল নাম্বার জানতে সব বিষয়ে সাহায্যের জন্য Help লিখে পাঠিয়ে দিন 2255 নাম্বারে, কাস্টমার ম্যানেজার আপনাকে ফোন করবে তাকেই জিজ্ঞাসা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই, তবে কার্ড রিচার্চ করেও আনার নাম্বার জানতে পারেন, অথবা আপনার রিম এর পেছনে লিখা সিরিয়াল নাম্বার গুলো কাস্টমার কেয়ার এক্ষিকিউটিভ এর নিকট জানাতে পারলে তারা আপনাকে আপনার নাম্বারটি বলতে পারবে। ব্যালেন্স দেখতে *887 ডায়াল ব্যালেন্স শুনতে *811 ডায়াল কার্ড রিচার্জ করতে *888 ডায়াল কাস্টমার ম্যানাজার : 121 অন্য অপারেটর থেকে সিটিসেল কাস্টমার ম্যানাজার কল করুন 01199121121 মোবাইল কেনার সময় নিম্ন বিষয় গুলো লক্ষ রাখুন: অনেক শখের বসে অনেকে বেশী দামী মোবাইল ফোন কিনতে চায় কিন্তু শখের জিনিসটি কিনতে গেলে নানা দোটানায় পড়তে হয়। এটা ভালো হবে তো, নাকি ওটা? এমন আরো অনেক দিধার মধ্যে পড়ে। বাজারে নানা রকম ভাল ভাল বিভিন্ন সুবিধা সম্বলিত ফোন পাওয়া যায়। তাই অতি প্রিয় জিনিসটি সঠিক বাচাই করার জন্য নিম্নবর্নিত টিপস গুলো আলোচনা করা হল। ♦ পর্দার আকার বড় পর্দার ফোন বেশী লোকেই পছন্দ করে তবে সহজে বহন করতে চাইলে মাঝারি পর্দার মোবাইল নেওয়া উচিত। চার ইঞ্চি বা সাড়ে চার ইঞ্চি বা পাঁচ ইঞ্চি পর্দার মোবাইল ফোনের নিতে পারেন। এতে আপনি ফোনটি ব্যবহার অনেক সুবিধা পাবেন আবার পর্দার গুণগত মানের দিকে লক্ষ রাক্ষতে হবে। সবচেয়ে ভালো মানের ডিসপ্লে ১০৮০পি (১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেলস)। তবে এই ডিসপ্লেযুক্ত ফোনের দামটিও বেশ চড়া হবে। খেয়াল করে দেখতে হবে ভিন্ন ভিন্ন কোণ থেকে দেখলে ছবি পরিষ্কার দেখা যায় কি না। সাধারণ মানের মোবাইলের ডিসপ্লে ৭২০পি-এর কম হয়ে থাকে। ♦ অপারেটিং সিস্টেম মৌলিক কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে।তাদের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বেশী সুবধা সম্বলিত সিস্টেম। এদিকে আইফোনের রয়েছে আইওএস যার সাম্প্রতিকতম সংস্করণ হলো আইওএস ৭। আবার উইন্ডোজ অপারেটিংয়ের ভক্তের সংখাও অনেক। এখান থেকে যেকোনো একটি সিস্টেমকে বেচে নিন। কারণ অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করেই গোটা ফোনের সব কার্যক্রম নির্ধারিত হয়। ♦ 3G নাকি 4G আমাদের দেশে 3G কানেকশনের বর্তমানে প্রাথমিক অবস্থা। ইন্টার নেটের গতি নির্ভর করে 2G, 3G ও 4G এর ওপর। সবচেয়ে দ্রতগতি হচ্চে 4G। এ বর্মানে স্মার্ট ফোনের জন্য 3G কানেকশন নিতে পারে এমন মোবাইল ফোন বেশি ভালো। ♦ ব্যাটারির শক্তি ব্যাটারির শক্তি নির্ধারিত হয় মোবাইল ফোনটির ডিসপ্লের ও তার কার্যক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে। তবে বড় মাপের স্ক্রিনের মোবাইল বেশী শক্তি ক্ষয় করে। তাই শক্তিশালী ব্যাটারি প্রয়োজন হবে মোবাইলটি অনেক সময় ধরে চালু রাখার জন্য। এখন ৩০০০-৪০০০ এমএএইচ সবচেয়ে বেশি শক্তির ব্যাটারি হিসেবে বাজারে চালু রয়েছে। তাছাড়া এখন অনেক পাওয়া ব্যাংক বের হয়েছে যা ব্যাটারীর শক্তির ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আপনি চাইলে ব্যবহার করতে পারেন। ♦ RAM ও প্রসেসর ফোনের কার্যক্রমে দ্রুততা দেবে RAM। ফোন কিনতে বেশ কিছু অর্থ ব্যয় করলে ২ জিবি RAM যথেষ্ট। তবে অল্প কিছু অর্থযোগে বা পছন্দ পরিবর্তনে ৩ জিবির ব্যবস্থা করা গেলে অনেক ভালো। ফোনের প্রসেসর ভালমানের নেওয়া উচিত। আধুনিক মোবাইলগুলো কোয়াইট কোর ও অকটা কোর এবং ৪ জিবি পর্যন্ত RAM বাজারে আসছে। ♦ ক্যামেরা রেজ্যুলেশন ক্যামেরা রেজ্যুলেশন বিষয়টি বেশী গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভালো মানের ছবি তোলার কাজ ক্যামেরার, মোবাইল ফোনের নয়। বেশি রেজ্যুলেশনের মোবাইল ক্যামেরার ছবি কিছুটা ভালো আসে। বর্ত্অমানে ৫px-১৩px মাঝারী দামের ফোনে থাকে। আমার সামনের ক্যামেরা ভাল কিনা লক্ষ রাখতে হবে কারন সেলফি ও ভিডিও কলের সময় এটি ব্যবহার হয়। ♦এনএফএস থাকলে ভালো এনএফএস বা নেয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন বেশ প্রয়োজনীয় বিষয়। অন্য কোনো স্মার্ট ফোন বা ট্যাবের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য এনএফএস দরকার হয়। এ ছাড়া আপনার কেনাকাটার জন্য কোনো ডিজিটাল ওয়ালেট অথবা দাম পরিশোধের সাপোর্টেড প্রসেসর থাকলে তার ব্যবহার এনএফএস-যুক্ত মোবাইল সহজ করে দেবে। অ্যাপলের নিজস্ব এনএফএস প্রযুক্তি রয়েছে, যার নাম এয়ারড্রপ। ♦ পপুলার রিভিউ ও রেটিং সাইট ব্যবহার করুন ইন্টারনেট থাকলে নানা সাইটে ঢুঁ মারতেই হয়। তবে ম্যালওয়্যারের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পপুলার রিভিউ ও রেটিং সাইটে ঘোরাফেরা করবেন। নইলে বিপদ। অ্যাক্সেসরিজ অ্যাক্সেসরিজ সব মোবাইলের সঙ্গেই দেওয়া হয়। তবে অ্যাক্সেসরিজ দেখে ফোন পছন্দ করার দরকার নেই। স্মার্ট অ্যাক্সেসরিজ বেশ আকর্ষণীয় দেখায়। ভালো মানের ফোনের অ্যাক্সেসরিজও বেশ ভালো হয়। ♦কন্ট্রাক্ট ফোন নেওয়ার জন্য ইউরোপ-আমেরিকাতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে মোবাইল ফোনসেট কেনার ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের দেশেও অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলো এমন অফার দিয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি সুবিধা দিচ্ছে এবং মোবাইলগুলোর মডেলের সঙ্গে দাম ও সুবিধাগুলোর তুলনা করে নিজের পছন্দ অনুযায়ী নেবেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment